পোস্টগুলি

কলাম লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যে কারণে শহীদের দলীয় তালিকাও থাকা উচিৎ

ছবি
 শহীদের তালিকা নিয়ে দুই চারটি কথা   - শেরিফ ফারুকী  ছাত্রদল শহীদের তালিকা দিয়ে গণঅভ্যুত্থানে নিজেদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, আর শিবিরকে নিশ্চিত করতে হয় সারজিস আলমদের বয়ান দিয়ে।  তারপর ১৪২ জনের বিশাল তালিকায় ভুলক্রমে দু’একটা নাম ঢুকে পড়লে শুরু হয় হাউকাউ, ‘এই তো! দেখেন দেখেন, কারে ঢুকাইছে'। এই বিশ্রী আলাপ দেখতেছি আর বিরক্ত হইতেছি। আরে ভাই তোরা সংশোধনের জন্য নামের ব্যাপারে আপত্তি তুলতে চাইলে তোল! কিন্তু যেভাবে আলাপ হচ্ছে মনে হইতেছে সংশোধন না বরং মক করাই উদ্দেশ্য।  অবশ্যই এই তালিকায় কিছু ভুলত্রুটি থাকতে পারে। তালিকায় থাকা ১৪২ জনের মধ্যে ৩১ জন ছিলেন পদে থাকা ছাত্রদল নেতা। এদের আপনি নিশ্চিত করতে পারছেন। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে বিশেষ করে কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ঝামেলা হয় যে মাঝেমাঝে ভুলে কিছু নাম ঢুকে যেতে পারে। এমনকি এই ১৪২ শহীদের বাইরে আরো অনেক শহীদ রয়ে গেছে যারা ছাত্রদলের ছেলে অথচ ছাত্রদল বলে আইডেন্টিফাই করা যায়নি।  তালিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কেউ কেউ ইচ্ছাকৃত কিছু ভুল নামও দিতে পারে। তালিকা তো একটি কন্টিনিউয়াস প্রসেস, যুক্ত বিযুক্ত ও সংশোধিত হতে থাকবে। একইসাথে ছাত্...

মেজর ডালিমের সাক্ষাৎকার এবং...

ছবি
ইতিহাসের একটা দায় মিটলো। মেজর শরিফুল হক ডালিম নিশ্চিত করলেন শেখ মুজিব হত্যার ব্যাপারে শহীদ জিয়া তাদের সাথে ‘বেঈমানি’ করেছেন। পলিটিক্যাল আসপেক্টে এই সাক্ষাৎকারের গুরুত্ব বহুদিন থাকবে। শহীদ জিয়াকে যেভাবে অনাহূতভাবে মুজিব হত্যার সাথে জুড়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে শাহরিয়ার কবিররা, অন্তত সেই দায় কিছুটা ঘুচলো। ২. শরিফুল হক ডালিমের এই আলাপ একটা র' ম্যাটেরিয়াল ভাবতে পারেন। ইতিহাস ভেতরে ভেতরে ঘষামাজা করছেন ডালিম। ফলে আমরা তার ভিউটা পাইছি। তবে এইটাও ঠিকঠাক পাইছি বলে মনে হয় না। কারণ দীর্ঘ সময়ের কারণে অনেক জিনিশ বিস্মৃত হইছেন বেচারা। আর এই আলাপটা এবং আওয়ামী বয়ান দুইটারে মিলায়া নিজের মতো ইতিহাস দাড় করাইতে পারেন। কোনোটাই তো আসলে নন বায়াসড না, এমনকি আমার এই পোস্টও। সুতরাং নিজের ইতিহাস নিজে তৈরি করুন। যারে আপনার বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় তারটা নিন। যতোটা মনে হয় ততোটা নিন।  ৩. এই সাক্ষাৎকার নিয়া একুশে টিভির সাবেক ক্রাইম রিপোর্টার ইলিয়াস হোসাইন আবারো জাতে উঠলেন মনে হইলো। গত কিছুদিন যাচ্ছেতাই জিনিশপাতি সাপ্লাই করতেছিলেন তিনি। আশা করছি ভবিষ্যতে এই টোনে থাকবেন।  এই সাক্ষাৎকারেও উনি একটি বিশেষ দলের টোনে প্রশ্ন...

জুলাই আমারে ঝামেলায় ফালায় দিয়া গেল

ছবি
(এই লেখাটা একটু বড় হচ্ছে, সময় না থাকলে স্কিপ প্লিজ) অনেকবার অনেক ট্যাগ খাইছি। বামপন্থী ছাত্রদল, শাহবাগপন্থী ছাত্রদল, শিবিরপন্থী ছাত্রদল... এবার খাওয়ার আগেই একটা ট্যাগ নিজেই নিজেরে দিয়ে দিতে চাই। ‘সমন্বয়ক’পন্থী ছাত্রদল। মানে আগে পরে এই ট্যাগ খাইতে পারি। সমন্বয়কপন্থী ছাত্রদল বলতে যে ছেলেগুলা ছাত্রদল হয়েও বিপ্লবীদের প্রতি প্রেম রাখে। আমার মনে হয় আমার সংগঠন আগে পরে এই সমস্যা ফেস করবেই। আন্দোলনে সরাসরি সক্রিয় থাকা কর্মীর মনস্তত্ত্ব আর আন্দোলনকে জাস্ট সাপোর্ট করা লোকের মনস্তত্ত্ব এক হবে না। যে কারণে আমি নাহিদ ভাইরে যেমনে দেখি আপনার সেভাবে দেখার চোখ নাও তৈরি হতে পারে। খ. ক্যান এটা হবে তা বোঝার জন্য চলেন, আমরা একটু জুলাইয়ের দিনগুলোতে ফিরে যাই। যেদিন আমি হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিসরে থরথর করে কাঁপতে দেখছি। ১৭/১৮ই জুলাইয়ের কথা বলতেছি। (স্মৃতি থিকা লিখতেছি কিছু অস্পষ্ট হইতে পারে। এ জন্যই জুলাইয়ের ইতিহাস না হারাতে দিতে সবার ইতিহাস লেখা উচিৎ। না লিখলে ইতিহাস হাইজ্যাক হয়, রিক্রিয়েট হয় যেমনটা ৭১’ এ হইছে)  তো হ্যাঁ, ওইদিন বিকেলে ভিসি চত্বরের দিকে সাইকেলে আগাইতাছিলাম। আগেই চিন্তা ছিল শহীদ আবু সাঈদদে...